রাজশাহীর পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে মামুনুর রশীদ জুয়েল নামে এক মুদি দোকানিকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে এক মাদকাসক্ত যুবক।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া পৌরসভার কাউন্সিল বাজারে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত জুয়েল উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ঘাতক মাইনুল একই উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালেও দোকান খুলে বসেছিলেন জুয়েল। এ সময় মাইনুল তার দোকানে প্রবেশ করে নেশা করার জন্য চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে সজোরে আঘাত করে। জুয়েল রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে ঘাতক মাইনুলকে আটক করেন। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে একটি খুঁটির সঙ্গে শক্ত করে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় জনগণ আসামিকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল। আমরা তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পুঠিয়া পৌরসভার কাউন্সিল বাজারে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত জুয়েল উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আনছারের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ঘাতক মাইনুল একই উপজেলার কাঁঠালবাড়িয়া গ্রামের কামালের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালেও দোকান খুলে বসেছিলেন জুয়েল। এ সময় মাইনুল তার দোকানে প্রবেশ করে নেশা করার জন্য চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মাইনুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে জুয়েলের বুকে সজোরে আঘাত করে। জুয়েল রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ধাওয়া করে ঘাতক মাইনুলকে আটক করেন। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে একটি খুঁটির সঙ্গে শক্ত করে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুঠিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় জনগণ আসামিকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল। আমরা তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
স্টাফ রিপোর্টার